অনলাইন টিউশনি করে টাকা আয়

 অনলাইন টিউশনি করে টাকা আয় 

 অনলাইন টিউশনি করে টাকা আয় এখন বাংলাদেশের শিক্ষিত যুবকদের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করে আয় করা এখন খুবই সহজ।

অনলাইন টিউশনি করে টাকা আয়

 এই পদ্ধতিতে আপনি দেশ ও বিদেশের শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারেন । সময় অনুযায়ী ক্লাস নিয়ে নিয়মিত ইনকাম করা সম্ভব। শিক্ষা, দক্ষতা ও ইন্টারনেট থাকলেই শুরু করা যায়। এটি ছাত্র , চাকরিজীবী ও গৃহিণীদের জন্য উপযোগী।

পেজ  সূচিপত্র : অনলাইন টিউশনি করে টাকা আয় করার উপায় 

অনলাইন টিউশনি কি এবং কেন জনপ্রিয় 

অনলাইন টিউশনি হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে শিক্ষার্থীদের পড়ানো যেখানে শিক্ষক ও ছাত্র এক জায়গায় না থেকেও ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্লাস করতে পারে। এই পদ্ধতিতে সময় ও যাতায়াতের ঝামেলা অনেক কমে যায়। মোবাইল, ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট থাকলেই যে কেউ সহজে ক্লাস নিতে পারে। এতে শিক্ষক নিজের সুবিধামতো সময় বেছে নিতে পারে। দেশের যেকোনো জায়গা এমন কি বিদেশ থেকেও ছাত্র পাওয়া সম্ভব। অনেক শিক্ষার্থী এখন অনলাইনেই পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। কারণ এতে বাড়িতে বসেই নিরাপদে পড়াশোনা করা যায়। স্কুল, কলেজ এমনকি কোচিংয়ের ক্লাসও এখন অনলাইনে হচ্ছে। এটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

অনলাইন টিউশনি জনপ্রিয় হওয়ার আরেকটি কারণ হলো এতে আয় করার সুযোগ অনেক বেশি। একজন শিক্ষক একই দিনে একাধিক শিক্ষার্থীকে পড়াতে পারে। এতে অল্প সময়ে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব। বিদেশি ছাত্র পড়ালে ডলারে পেমেন্ট পাওয়া যায়, যা আরও লাভজনক। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী বিষয় বেছে নিয়ে পড়ানো যায়। তাই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায়। ভালো পড়ালে শিক্ষার্থীরা রেফারেন্স দেয়, এতে কাজ বাড়ে। অনলাইন সুনাম তৈরি অনলাইনে তৈরি হলে নিয়মিত আয় হয়। ভবিষ্যতে অনলাইনে টিউশনি আরো জনপ্রিয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

প্রোফাইল তৈরি করার নিয়ম 

অনলাইন টিউশনি প্লাটফর্মে ভালো প্রোফাইল তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ছাত্র প্রথমে আপনার প্রোফাইল দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। প্রোফাইলে নিজের নাম, ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সঠিকভাবে দিতে হবে। একটি পরিষ্কার ও ভদ্র ছবি ব্যবহার করলে বিশ্বাস বাড়ে ।  আপনি কোন কোন বিষয়ে পড়াতে পারেন তা স্পষ্টভাবে লিখুন। নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা উল্লেখ করুন। সংক্ষিপ্ত কিন্তু আকর্ষণীয় পরিচিতি দিন। এতে ছাত্র আগ্রহ হবে ভাষা সহজ ও ভদ্রতা রাখুন। ভুল বানান এড়িয়ে চলুন।

প্রোফাইলে আপনার সময়সূচি ও ফি উল্লেখ করলে সুবিধা হয়। এতে ছাত্র সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কোন্ কোন্ লেভেলের শিক্ষার্থী পড়ান সেটিও লিখুন। যেমন স্কুল, কলেজ বা কোচিং। নিজের পড়ানোর স্টাইল ছোট করে ব্যাখ্যা করতে পারেন। নিয়মিত প্রোফাইল আপডেট রাখুন। নতুন স্কিল বা অভিজ্ঞতা যোগ করুন। ভালো রিভিউ পেলে সেটিও দেখাবে। এতে আপনার বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়বে। একটি ভালো প্রোফাইলই আপনাকে বেশি কাজ এনে দেবে।

অনলাইনে টিউশনি করার যোগ্যতা 

অনলাইনে টিউশনি করার জন্য সবার আগে ভালোভাবে কোন একটি বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হয়। গণিত, ইংরেজি, বিজ্ঞান বা আইসিটির মত বিষয়ে দক্ষতা থাকলে বেশি সুযোগ পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীদের বুঝাতে পারার ক্ষমতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। শুধু জানলেই হবে না, সহজ ভাবে বুঝিয়ে বলতে জানতে হবে। ভালো কমিউনিকেশন স্কিল থাকলে ছাত্র দ্রুত বুঝতে পারে। ধৈর্য ও আন্তরিকতা এই কাজে বড় ভূমিকা রাখে। কারণ সবাই একভাবে শেখে না। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস থাকাও জরুরী। তাহলে শিক্ষার্থী আপনাকে বিশ্বাস করবে। এতে ক্লাস নেওয়া সহজ হয়।

এই কাজে অংশ নিতে বড় কোন ডিগ্রী বাধ্যতামূলক নয়। তবে নিজের পড়ার বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক বা গৃহিনী সবাই এই কাজ করতে পারে। ইংরেজি জানলে বিদেশী ছাত্র পাওয়ার সুযোগ বাড়ে । কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ হওয়া দরকার। সময় মত ক্লাস নেওয়ার অভ্যাস থাকতে হবে। নিয়মিত প্রস্তুতি নিলে কাজের মান বাড়ে। ভালো পড়ালে শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট হয়। তখন আপনার  সুনাম বাড়ে । এইভাবেই অনলাইনে টিউশনি করে সফল হওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন : শিক্ষকতা পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার উপায়

প্রয়োজনীয় ডিভাইস ও ইন্টারনেট 

অনলাইনে টিউশনি করার জন্য একটি স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার প্রয়োজন। ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ হলে পড়ানো আরও সুবিধাজনক হয়। ভালো মানের হেডফোন ব্যবহার করলে শব্দ পরিষ্কার শোনা যায়। একটি মাইক্রোফোন থাকলে আপনার কথা ছাত্র ভালোভাবে বুঝতে পারে। ওয়েবক্যাম থাকলে মুখোমুখি যোগাযোগ করার সহজ হয়। এতে ছাত্রের সাথে সম্পর্ক ভালো তৈরি হয়। ভিডিও ক্লাস নেওয়ার জন্য এগুলো খুব প্রয়োজন। ডিভাইস ঠিকঠাক থাকলে ক্লাসের সমস্যা কম হয়। তাই শুরুতেই ভালো সেট আপ রাখা উচিত।

ইন্টারনেট এই কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্টেবল ও দ্রুতগতির নেট সংযোগ থাকতে হবে। ব্রডব্যান্ড বা 4G নেট হলে ভালো কাজ হয়। নেট স্লো হলে ভিডিও ক্লাসের সমস্যা তৈরি হয়। তাই ভালো প্যাকেজ ব্যবহার করা উচিত। বিদ্যুৎ না থাকলে মোবাইল ডাটার ব্রেকআপ রাখা ভালো। Zoom বা Google Meet ব্যবহার করে ক্লাস নেওয়া যায়। এসব অ্যাপ সহজে চালানো যায়। ভালো ইন্টারনেট থাকলে পড়ানো অনেক সহজ হয়। এতে শিক্ষার্থীর সন্তুষ্ট থাকে।

কোন বিষয় পড়ালে বেশি আয় হয় 

অনলাইনে টিউশনি করে বেশি আয় করতে হলে সঠিক কিছু নির্বাচন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি বিষয়টি সবচেয়ে বেশি চাহিদা সম্পন্ন। বিশেষ করে Spoken English ও IELTS  শেখালে ভালো আয় করা যায়। গনিত ও বিজ্ঞান বিষয়েও প্রচুর শিক্ষার্থী থাকে। এই বিষয়গুলো স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে খুব প্রয়োজনীয়। আইসিটি ও কম্পিউটার বিষয়েও আগ্রহ বাড়ছে। অনেক ছাত্র অনলাইনে কোডিং শিখতে চায়। তাই প্রোগ্রামিং পড়ালে আয় আরও বেশি হয়। চাহিদা বেশি হলে ফি নেওয়াও সহজ হয়। এতে ইনকাম দ্রুত বাড়ে। 

যারা একাডেমিক পড়াতে স্বচ্ছন্দ তারা স্কুল ও কলেজের বিষয় বেছে নিতে পারে। আর যারা স্ক্রিল বেসড বিষয় জানে তারা সে অনুযায়ী পড়াতে পারে। ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন বা ফ্রিল্যান্সিং শেখানোর চাহিদাও আছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজিতে এসব বিষয় পড়ালে বেশি টাকা পাওয়া যায়। পরীক্ষার প্রস্তুতি যেমন বিসিএস বা ব্যাংক জব কোচিংয়েও ভালো আয় হয়। নিজের দক্ষতা অনুযায়ী বিষয় নির্বাচন করলে সফলতা বাড়ে। তাই সঠিক বিষয় বাছাই করলে অনলাইন টিউশনি সত্যিই লাভজনক হয়।

ছাত্র খোঁজার কৌশল 

অনলাইনে টিউশনি করতে চাইলে নিয়মিত ছাত্র খোঁজা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । এর জন্য প্রথমে অনলাইন টিউশন প্লাটফর্মে একটিভ থাকতে হবে। ছাত্রদের পোস্টের দ্রুত রিপ্লাই দিলে তারা আগ্রহী হয়। নিজের প্রোফাইল সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখলে বিশ্বাস বাড়ে। ফেসবুক গ্রুপে টিউশন অফার দিয়ে পোস্ট করতে হবে ।সেখানে অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন টিউশন খোঁজে। নিজের দক্ষতার কথা পরিষ্কারভাবে লিখতে হবে। তাই সঠিক ছাত্র পাওয়া খুব সহজ হয়।

ডেমো ক্লাস অফার করলে নতুন ছাত্র সহজে রাজি হয়ে যাবে।একটি ফ্রি ক্লাস দিয়ে আপনার পড়ানোর মান দেখাতে পারেন। ভালো ব্যবহার ও সময়মতো ক্লাস নেওয়া খুব জরুরী। ছাত্র সন্তুষ্ট হলে সে অন্যদেরও আপনাকে রেফার করবে। এভাবে কাজ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। নিজের একটি ফেসবুক পেজ খুলে প্রচার করতে পারেন। সেখানে নিয়মিত কন্টেন্ট দিলে বিশ্বাস যোগ্যতা বাড়ে। এভাবেই স্থায়ীভাবে ছাত্র পাওয়া সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন : গ্রাফিক ডিজাইন করে ঘরে বসে ইনকাম

ক্লাস নেওয়ার পদ্ধতি 

অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার আগে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া খুব জরুরী। প্রথমে কোন্ টপিক পড়াবেন তা ঠিক করে নিতে হবে। ছাত্রদের লেভেল অনুযায়ী লেসন তৈরি করতে হবে। সহজে পরিষ্কার ভাষায় পড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।ভিডিও কলের মাধ্যমে চোখে চোখ রেখে বলতে হবে। প্রয়োজনে স্লাইড বা নোট শেয়ার করতে পারেন। ছাত্রকে প্রশ্ন করার সুযোগ দিন। এতে সে বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারবে। ইন্টারেক্টিভ ক্লাস হলে শেখা আরও সহজ হয়।

ক্লাসের সময় সময়মতো শুরু ও শেষ করা গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় কথা বলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। প্রতিটি ক্লাসের শেষে ছোট রিভিউ নিন। ছাত্র কতটা বুঝতে পারছে তা জেনে নিন । প্রয়োজনে বাড়তি উদাহরণ দিন। হোম ওয়ার্ক দিলে শেখা আরও শক্ত হয়। পরের ক্লাসের প্রস্তুতি আগে থেকেই জানিয়ে দিন। এতে ছাত্র মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকে। ভালোভাবে ক্লাস নিলে ছাত্র নিয়মিত থাকবে।

মাসে কত টাকা আয় করা যায় 

অনলাইনে টিউশনি করে মাসে কত টাকা আয় হবে তা অনেক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। আপনার দক্ষতা, সময় ও বিষয় নির্বাচন এখানে বড় ভূমিকা রাখে। নতুনরা শুরুতে মাসে ৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা আয় করতে পারে। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা বাড়লে আয়ও বাড়তে থাকে। যারা নিয়মিত ক্লাস নেয় তারা ভাল ইনকাম করে। দিনে দুই থেকে তিনটি ক্লাস নিলেই ভালো অংকের টাকা আসে।   স্কুল বা কলেজ লেভেলের টিউশনের চাহিদা সব সময় থাকে। তাই নিয়মিত কাজ পাওয়া যায়। ভালো পড়ালে ছাত্র দীর্ঘদিন থাকে এতে মাসিক আয় স্থির থাকে।

যারা ইংরেজি বা স্কেল ভিত্তিক বিষয় পড়ান তারা আরও বেশি আয় করতে পারে। আইইএলটিএস বা স্পোকেন ইংলিশ পড়ালে ভালো ফি পাওয়া যায়। বিদেশি ছাত্র পড়ালে ডলারে পেমেন্ট পাওয়া সম্ভব। তখন মাসে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকাও আয় করা যায়। একাধিক ছাত্র থাকলে আয় অনেক বেড়ে যায় । গ্রুপ ক্লাস নিলে একই সময়ে বেশি টাকা পাওয়া যায়। নিজের কোর্স বানালে প্যাসিভ ইনকামও  হতে পারে। পরিশ্রম ও মান বজায় রাখলে আয় বাড়তেই থাকবে। অনলাইনে টিউশনে একটি স্থায়ী আয়ের পথ । সঠিকভাবে করলে এতে আর্থিক সচ্ছলতা আসে।

আরও পড়ুন : খুশকি দূর করার প্রাকৃতিক ঘরোয়া পদ্ধতি

পেমেন্ট গ্রহণের উপায় 

অনলাইনে টিউশনি করলে পেমেন্ট সাধারণত ডিজিটাল পদ্ধতিতে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করা যায়। অনেক ছাত্র ব্যাংক ট্রান্সফারও করে থাকে। দেশের ভিতরে এসব পদ্ধতি খুব সহজ ও দ্রুত। ক্লাস শুরুর আগে পেমেন্টের নিয়ম ঠিক করে নেওয়া ভালো। এতে করে কোন ঝামেলা হয় না। মাসিক ফি বা প্রতি ক্লাস অনুযায়ী টাকা নিতে পারেন। সব লেনদেন লিখে রাখলে হিসাব পরিষ্কার থাকে। 

বিদেশি ছাত্র থাকলে পেপাল বা পাইওনিয়ার ব্যবহার করা যায়। এসব মাধ্যমে ডলার পাওয়া সম্ভব। পরে সেই টাকা ব্যাংকে নিয়ে আসা যায়। অনেক অনলাইন টিউশন প্লাটফর্ম নিজেরাই পেমেন্ট পরিচালনা করে। তারা নির্দিষ্ট সময় পর টাকা পাঠায়। এতে নিরাপত্তা থাকে বেশি। পেমেন্ট সময়মত পাওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ । তাই বিশ্বাসযোগ্য পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত। সঠিকভাবে পেমেন্ট নিলে কাজের আগ্রহও বাড়ে।

শেষ কথা : ভবিষ্যতে অনলাইন টিউশনে সম্ভাবনা 

ভবিষ্যতে অনলাইন টিউশনের চাহিদা আরও দ্রুত বাড়বে। কারণ মানুষ এখন ঘরে বসে সব কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে। দেশ ও বিদেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে শেখার দিকে ঝুঁকছে।। এতে শিক্ষকদের কাজের সুযোগ অনেক বেড়ে যাবে। নতুন প্রযুক্তি পড়ানোকে আরও সহজ করে তুলবে। অনলাইন টিউশনি এক সময় পূর্ণাঙ্গ পেশায় রুপ নিবে।

আমার মনে হয় অনলাইন টিউশনি ভবিষ্যতে তরুণদের জন্য পড়ার সুযোগ তৈরি করবে। যারা এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করবে তারা এগিয়ে থাকবে। ঘরে বসে আয় করার এমন সুযোগ সবাই পায় না। আমি বিশ্বাস করি এই পেশা অনেক মানুষকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে। সময় ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই সফল হওয়া সম্ভব। এই কারণেই অনলাইন টিউশনি আমার কাছে খুব আশাব্যঞ্জক মনে হয়। 



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ST Bangla Hub নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url